৬ কেজি ১৭৫ গ্রাম ওজনের নিখাদ সোনায় তৈরি আসল ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফিটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় পৌঁছেছে। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুরের অংশ হিসেবে আজ সকালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগমন ঘটে ট্রফিটির। এই বিশেষ সফরে বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলীয় সাবেক ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভাও সঙ্গে ছিলেন।
বিশ্বকাপ ট্রফি এবারের ট্যুরে ৩০টি দেশ এবং ৭৫টি প্রদর্শনী স্থানে দর্শকদের সঙ্গে দেখা করবে। বাংলাদেশে একমাত্র ঢাকার রেডিসন ব্লু হোটেলে এটি প্রদর্শিত হচ্ছে। ট্যুরটি মোট ১৫০ দিনে সমাপ্ত হবে।
আজ দুপুর ১টা থেকে ট্রফি প্রদর্শনীর জন্য হোটেলে রাখা হয়। সন্ধ্যা পর্যন্ত দর্শকরা এটি ঘিরে উপভোগের সুযোগ পান। প্রদর্শনীর আগেই ফুটবলপ্রেমীরা আগ্রহের সঙ্গে হোটেলের বাইরে ভিড় জমান। মুঠোফোনে মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দী করার চেষ্টা করতে দেখা যায় অনেককে।
দর্শক চিত্র ও অভিজ্ঞতা:
| দর্শক ধরন | কার্যক্রম ও অভিজ্ঞতা |
|---|---|
| তরুণ ও কিশোর | ট্রফির সঙ্গে ছবি তোলা, স্বেচ্ছাসেবক থেকে নির্দেশ নেওয়া |
| পরিবারসহ দর্শক | শিশুদের সঙ্গে ট্রফি দেখানো; ভবিষ্যতে গল্প করার মুহূর্ত তৈরি |
| একক দর্শক | নিজেকে ট্রফির সামনে ক্যামেরাবন্দী করা, সামাজিক মাধ্যমের জন্য ছবি তোলা |
| স্বেচ্ছাসেবক | দর্শকদের সারিবদ্ধভাবে লাইনে দাঁড় করানো এবং দর্শন সহায়তা দেওয়া |
প্রদর্শনীতে শিশু সহ পরিবারও অংশ নিয়েছেন। অনেক কোলের শিশুর কাছে ট্রফি নতুন হলেও, বড় হয়ে তাদের মা–বাবা নিশ্চয়ই এই অভিজ্ঞতার গল্প শুনাবেন।
দর্শকদের মধ্যে হাস্যোজ্জ্বল ও আনন্দিত মুহূর্ত চোখে পড়ে। অনেকে ট্রফির পাশে দাঁড়িয়ে জীবনের এক স্মরণীয় মুহূর্ত সঞ্চয় করছেন। এছাড়া কিছু দর্শকের চুলের ঝাঁকড়া ঢাল বা হাবভাব ফুটবল তারকার মতোই মজার অভিজ্ঞতা সৃষ্টি করেছে।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দর্শকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। স্বেচ্ছাসেবকরা ব্যস্ত সময়েও শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে দর্শকদের লাইনে দাঁড় করান। এই প্রদর্শনী একদিকে যেমন বাংলাদেশে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য অনন্য অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে, অন্যদিকে এটি আগামী বিশ্বকাপের উত্তেজনা ও আগ্রহও উজ্জীবিত করছে।
ফুটবলভক্তরা জানান, “ট্রফি দেখার অনুভূতি এমন যা সারাজীবনের গল্প করার মতো। এটি শুধুই একটি পদক নয়, বরং পুরো ফুটবল ইতিহাসের একটি জীবন্ত সাক্ষ্য।”
