আফ্রিকা কাপ অব নেশনস (আফকন) ২০২৩-এর মহানাটকীয় ফাইনালের পর আফ্রিকান ফুটবলের দুই প্রধান শক্তি মরক্কো ও সেনেগালের জন্য সুখবর এসেছে। ৫০ বছর পর শিরোপা জয় করতে না পারলেও মরক্কোর ‘আটলাস লায়ন্সরা’ ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে।
ফিফা কর্তৃক সর্বশেষ প্রকাশিত র্যাঙ্কিং অনুযায়ী মরক্কো তিন ধাপ উন্নতি করে ৮ম স্থানে উঠে এসেছে। এর আগে ২০২২ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে ওঠার পর তাদের সেরা অবস্থান ছিল ১০ম। ১৯৯৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত মরক্কোর সর্বোচ্চ র্যাঙ্কিংও ছিল ১০ম। দলের মূল স্তম্ভ আশরাফ হাকিমি এবং ন্যাশনাল টিমের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এই লাফে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
অন্যদিকে, আফ্রিকায় দ্বিতীয়বারের মতো মহাদেশীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়া সেনেগালও র্যাঙ্কিংয়ে বড় উন্নতি করেছে। সাদিও মানের নেতৃত্বাধীন দল সাত ধাপ এগিয়ে ১২তম স্থানে অবস্থান করছে। এর আগে ২০২৪ সালে তারা সর্বোচ্চ ১৭তম স্থানে ছিল।
মোটের উপর আফ্রিকান দলগুলোর র্যাঙ্কিংয়ে আফ্রিকা কাপের পর বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। নাইজেরিয়া, যারা ব্রোঞ্জ জয়ী হয়েছে, ১২ ধাপ উন্নতি করে ২৬তম স্থানে উঠে এসেছে। ৭৯.০৯ পয়েন্ট অর্জন করে তারা এই মাসের সবচেয়ে বেশি উন্নতি করা দল। ক্যামেরুনও একইসাথে ১২ ধাপ উন্নতি করে ৪৫তম স্থানে রয়েছে।
নিচের টেবিলে আফ্রিকার প্রধান দলের নতুন অবস্থান ও উন্নতি দেখানো হলো:
| দল | বর্তমান র্যাঙ্কিং | আগের র্যাঙ্কিং | ধাপ পরিবর্তন | সর্বোচ্চ র্যাঙ্কিং (ইতিহাস) |
|---|---|---|---|---|
| মরক্কো | ৮ | ১১ | +৩ | ৮ |
| সেনেগাল | ১২ | ১৯ | +৭ | ১২ |
| নাইজেরিয়া | ২৬ | ৩৮ | +১২ | ৫ (১৯৯৪) |
| ক্যামেরুন | ৪৫ | ৫৭ | +১২ | ১২ |
| মিসর | ৩১ | ৩৫ | +৪ | ৯ (২০১০) |
| গ্যাবন | ৮৬ | ৪২ | -৪৪.৯ | ৩৫ |
| গিনি | ১০৭ | ৯৭ | -১০ | ৮৫ |
এদিকে, র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ সাত দলের অবস্থান অপরিবর্তিত আছে। শীর্ষে স্পেন, দুইয়ে আর্জেন্টিনা, এরপর ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, ব্রাজিল, পর্তুগাল ও নেদারল্যান্ডস। আফ্রিকার দলগুলোর এই উন্নতি বিশ্ব ফুটবলে তাদের অবস্থান শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে উচ্চ প্রত্যাশার বার্তা দিচ্ছে।
