আরলিং হলান্ড, বর্তমানের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার, যার গোলমেশিন ক্ষমতা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত, ছোটবেলাতেই এক বিরল সম্ভাবনার অধিকারী ছিলেন। যে খেলোয়াড় এখন ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে মাঠে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে ত্রাসের মধ্যে ফেলছেন, তিনি হয়তো পেশাদার গলফার হতেন।
হলান্ডের বাবা আলফ-ইঞ্জে তার ছোট ছেলে বিভিন্ন খেলায় চেষ্টা করার সুযোগ দিতেন। ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড, হ্যান্ডবল, টেনিস—সবকিছুতে তার হাতেখড়ি হয়েছিল। ছোট বয়স থেকেই লং জাম্পে অসাধারণ পারদর্শী ছিলেন তিনি। মাত্র পাঁচ বছর বয়সে ১.৬৩ মিটার লাফ দিয়ে বিশ্বের দীর্ঘতম স্ট্যান্ডিং লং জাম্পের রেকর্ড ভাঙেছিলেন।
হলান্ডের বাবা এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘নরওয়ের হ্যান্ডবল ম্যানেজার চাইতেন সে হ্যান্ডবল খেলুক। আমি চাইতাম সে বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহণ করুক। এতে তার শরীরের বিভিন্ন দিক বিকশিত হয়।’ এই বহুমুখিতা হলান্ডকে পরবর্তীতে ফুটবলে তার ধারাবাহিক সাফল্যে সাহায্য করেছে।
তবে গলফ হল ছোটবেলার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ১০ বছর বয়স থেকে ১৩ বছর বয়স পর্যন্ত প্রতিদিনই গলফে সময় কাটিয়েছেন হলান্ড। পডকাস্টে তিনি জানিয়েছেন, ‘পেশাদার গলফার হওয়া ছিল বাবার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন। তিনি চাইতেন আমি গলফে ক্যারিয়ার গড়ি। কিন্তু আমি অন্য পথে চলেছি।’
আজ, ২৫ বছর বয়সে হলান্ড প্রিমিয়ার লিগে দ্রুততম সময়ে গোলের সেঞ্চুরি, ১০, ২৫ ও ৫০ গোলের রেকর্ড গড়েছেন। প্রতি ম্যাচে মাঠে নামলেই নতুন রেকর্ড, গোলের ধারাবাহিকতা এবং অসাধারণ শারীরিক ক্ষমতা দেখান। ফুটবল জগতে এই নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকারের অবদান সত্যিই অবিস্মরণীয়।