১৮৩—এটাই কি বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের নতুন তারকার জন্ম?

মিরপুরের উইকেট সাধারণত স্পিনসহায়ক হলেও আজ যেন ব্যাটারদের জন্যই সাজানো ছিল। দিনের শুরুটা ঢাকার ছিল ছন্দময়, কিন্তু স্থিতিশীলতা আনতে গিয়ে হঠাৎ করেই বাধা আসে। ওপেনার আশিকুর রহমান চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন, আর এই আঘাত ঢাকার রানের গতিও কিছুটা কমিয়ে দেয়। তবে দ্রুত উইকেট পতন ঢাকাকে খানিকটা সমস্যায় ফেললেও দিন শেষে সব আলো কেড়ে নেন দুজন ব্যাটার—আনিসুল ও মার্শাল

যেখানে বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে বড় ইনিংস দেখা এখনো তুলনামূলক বিরল, সেখানেই আনিসুল ১৮৩ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেন। প্রথম শ্রেণিতে শতক পাওয়া অনেক খেলোয়াড়ের জন্য স্বপ্নের মতো, কিন্তু প্রথম সেঞ্চুরিকেই ডাবলের পথে রূপান্তর করা নিঃসন্দেহে বিশেষ অর্জন। ১৮ চার ও ৫ ছক্কায় গড়া তার ইনিংসটি ছিল পরিণত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ ব্যাটিংয়ের পরিচয়।

মার্শালও পিছিয়ে নেই—১৩২ বলে ১০৯ রানে নিশ্চিতভাবেই তিনি দলের রানের চাকা সচল রেখেছেন। ঢাকার স্কোরবোর্ডে যখন দেখা যায় ২ উইকেটে ৩৫৬—তখন পুরো চট্টগ্রাম দলই যেন ছায়ায় ঢেকে যায়।

খুলনায় সৌম্য সরকারের ৫৬ রানের ইনিংসই খুলনাকে ৩০২ রানে পৌঁছে দেয়। জিয়াউর রহমানের ৩৬ রানের ইনিংস পরিস্থিতি সামাল দেয়। রংপুরের নাসির হোসেন ৩ উইকেট নিয়ে খুলনার ব্যাটিংকে চাপে রাখেন।

রাজশাহীতে সিলেট বনাম বরিশালের ম্যাচ ছিল টুর্নামেন্টের অন্যতম আলোচিত খেলা। শীর্ষ দল বরিশাল শুরুটা ভালো করলেও সিলেটের শেষ সেশনের বোলিং ম্যাচের গতি বদলে দেয়। তিন মূল পেসার ছাড়াই তারা দারুণ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে ৬ উইকেট তুলে নেয়। এতে করে বরিশালের সংগ্রহ থেমে যায় ২৬৯ রানে।

একই সময়ে ময়মনসিংহও দাপট দেখায়। রাজশাহীকে ২১৯ রানে অলআউট করে ৭৩ রান তুলে তারা দিন শেষ করে।

দিন শেষে আলোচনা একটাই—আনিসুল কি কাল ডাবল সেঞ্চুরি ছুঁতে পারবে?

Leave a Comment