জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) দ্বিতীয় রাউন্ডের দ্বিতীয় দিনটি সেঞ্চুরি উৎসব আর আক্ষেপের মিশ্রণে কেটেছে। কক্সবাজারে মুমিনুল হক সেঞ্চুরির স্বাদ নিতে পারেননি, তবে আব্দুল মজিদ শতক পূর্ণ করেছেন। অন্যদিকে, সিলেটে মাহিদুল ইসলাম অংকনের অসাধারণ সেঞ্চুরির মাধ্যমে ঢাকা বিভাগকে পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করেছেন। মিরপুরে রাজশাহীর সাকির হোসেন শুভ্রও সেঞ্চুরির দিকে এগিয়ে গেলেও ৮৯ রানে আউট হয়েছেন।
আগের দিন ৮৪ রানে অপরাজিত থাকা মুমিনুল হক আজ সকালে শতক করতে পারেননি। বরিশালের বিপক্ষে ১৪৫ বলে ৯২ রান করে পেসার রুয়েল মিয়ার শিকার হন তিনি। মুমিনুলের সেঞ্চুরি মিস হলেও প্রথম ইনিংসে চট্টগ্রাম ৩৫৮ রানের শক্ত পুঁজি গড়ে। জবাবে বরিশাল দিন শেষ করেছে ২ উইকেটে ১১৫ রান তুলে।
কক্সবাজারের আরেক মাঠে ময়মনসিংহ রানের পাহাড় গড়েছে। প্রথম দিনে দুই ওপেনার নাঈম শেখ ও মাহফিজুল ইসলাম রবিনের সেঞ্চুরির পর, আজ তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন অভিজ্ঞ আব্দুল মজিদ। ৮ রানে দিন শুরু করা মজিদ শেষ পর্যন্ত ১১৯ রানে অপরাজিত থাকেন। তার ব্যাটে ভর করে ময়মনসিংহ ৬ উইকেটে ৫৫৫ রানে ইনিংস ঘোষণা করে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে রংপুর ১৪ রানেই ২ উইকেট হারিয়েছে।
সিলেটে খাদের কিনারা থেকে ঢাকাকে টেনে তুলেছেন মাহিদুল ইসলাম অংকন। প্রথম দিনে ৫ উইকেটে ১২০ রানে ধুঁকতে থাকা ঢাকা আজ দ্বিতীয় দিনের শুরুতে ১৪০ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে। সেখান থেকে সুমন খানকে (৭৪) নিয়ে অষ্টম উইকেটে ১২৫ রানের জুটি গড়েন অংকন। ২৭২ বলে ১২২ রানের ধৈর্যশীল ইনিংস খেলে শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন তিনি। ঢাকার ইনিংস থামে ৩১০ রানে। জবাবে সিলেট বিনা উইকেটে ৩৩ রান তুলে দিন শেষ করেছে।
মিরপুরে খুলনার প্রথম ইনিংসে করা ১২১ রানের জবাবে রাজশাহী ২৬৮ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েও ৮৯ রানে আউট হন উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান সাকির হোসেন শুভ্র। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে খুলনা দিনশেষে ১ উইকেটে ৬৮ রান তুলেছে, তবে তারা এখনও ৭৯ রানে পিছিয়ে আছে।
